অনেক শিক্ষার্থী একটি সাধারণ প্রশ্ন করে থাকে।
ইংরেজি ভাষার উৎপত্তি কোথা থেকে?
এই প্রশ্নটি আমাদের ভাষাটিকে আরও ভালোভাবে বুঝতে সাহায্য করে।
ইংরেজি হঠাৎ করে আসেনি।
এটি ধীরে ধীরে বেড়ে উঠেছে।
সময়ের সাথে সাথে এটি পরিবর্তিত হয়েছে।
মানুষের মতো,
ভাষারও একটি ইতিহাস আছে।
ইংরেজি ভাষার উৎপত্তি কোথা থেকে, তা বুঝতে হলে,
আমাদের অনেক আগের সময়ে ফিরে তাকাতে হবে।
আধুনিক ইংরেজির অনেক আগে,
অন্যান্য ভাষা প্রচলিত ছিল।
hazaro বছর আগে,
ইউরোপের লোকেরা বিভিন্ন ভাষায় কথা বলত।
এই ভাষাগুলো বৃহৎ ভাষা পরিবারের অন্তর্ভুক্ত ছিল।
ইংরেজি তাদের মধ্যে একটি থেকে এসেছে।
ইংরেজি ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষা পরিবারের অন্তর্ভুক্ত।
এই পরিবারটি খুবই পুরনো।
এতে অনেক ভাষা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
স্প্যানিশ, ফরাসি এবং জার্মান ভাষার মতো
ভাষাগুলোও এই পরিবারের অংশ।
এগুলোর মধ্যে কিছু মিল রয়েছে।
ইংরেজি ভাষার প্রাথমিক গল্পটি ইউরোপে শুরু হয়।
বহু আগে,
কিছু লোক দলবদ্ধভাবে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে যেত।
তারা তাদের ভাষাগুলো সাথে নিয়ে যেত।
একটি গুরুত্বপূর্ণ দল ছিল জার্মানীয় উপজাতিরা।
তারা উত্তর ইউরোপে বাস করত।
তারা জার্মানীয় ভাষায় কথা বলত।
এই জার্মানীয় ভাষাগুলোই ইংরেজির পূর্বপুরুষ।
ইংরেজি ভাষার উৎপত্তির ইতিহাস জানতে চাইলে
এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
প্রায় পঞ্চম শতাব্দীতে,
জার্মানীয় উপজাতিরা ব্রিটেনে ভ্রমণ করে।
তারা এমন এলাকা থেকে এসেছিল যেগুলোকে আমরা এখন জার্মানি এবং ডেনমার্ক বলি।
এই উপজাতিদের মধ্যে অ্যাঙ্গেলস,
স্যাক্সন,
এবং জুটস অন্তর্ভুক্ত ছিল।
তাদের নাম আজও গুরুত্বপূর্ণ।
ইংল্যান্ড শব্দটি অ্যাঙ্গেলস থেকে এসেছে।
অ্যাঙ্গেল-ল্যান্ড থেকে ইংল্যান্ড হয়।
এই নামটি টিকে ছিল।
এই উপজাতিদের দ্বারা কথ্য ভাষাগুলো
মিশে গিয়েছিল।
এই মিশ্রণটি পুরাতন ইংরেজি তৈরি করে।
পুরাতন ইংরেজি আধুনিক ইংরেজি থেকে খুব আলাদা।
এতে ভিন্ন শব্দ ব্যবহার করা হতো।
ভিন্ন বানান ব্যবহার করা হতো।
আজকালকার বেশিরভাগ মানুষ এটি পড়তে পারে না।
তা সত্ত্বেও,
ইংরেজি ভাষার উৎপত্তির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো পুরাতন ইংরেজি।
এটি ভিত্তি স্থাপন করে।
পুরাতন ইংরেজি ছিল একটি জার্মানীয় ভাষা।
এটি জার্মান ভাষার সাথে শব্দ বিনিময় করত।
ব্যাকরণের ধরনও বিনিময় করত।
ইংরেজি এখনও এই ধরনের কিছু কাঠামো বজায় রেখেছে।
অনেক মৌলিক ইংরেজি শব্দ পুরাতন ইংরেজি থেকে এসেছে।
যেমন মানুষ (man)।
যেমন বাড়ি (house)।
এই শব্দগুলো সহজ এবং শক্তিশালী মনে হয়।
সময়ের সাথে সাথে,
ব্রিটেন নতুন দল দ্বারা প্রভাবিত হয়েছিল।
এই দলগুলো নতুন ভাষা নিয়ে এসেছিল।
ইংরেজি পরিবর্তিত হতে থাকে।
ভাইকিংদের কাছ থেকে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব আসে।
ভাইকিংরা স্ক্যান্ডিনেভিয়া থেকে এসেছিল।
তারা পুরাতন নর্স ভাষায় কথা বলত।
ভাইকিংরা ব্রিটেনের কিছু অংশে বসতি স্থাপন করে।
তারা স্থানীয় মানুষের সাথে বসবাস করত।
ভাষাগুলো আবার মিশে যায়।
এ কারণে,
ইংরেজি পুরাতন নর্স ভাষা থেকে শব্দ ধার করে।
যেমন আকাশ (sky) এবং ডিম (egg)
এই সময় থেকে এসেছে।
এই মিশ্রণটি ইংরেজি ভাষার উৎপত্তির একটি অংশ।
যোগাযোগের মাধ্যমে ইংরেজি বৃদ্ধি পায়।
এটি প্রতিবেশীদের কাছ থেকে শেখে।
পরে,
আরেকটি বড় পরিবর্তন ঘটে।
এই পরিবর্তনটি আসে ফ্রান্স থেকে।
১০৬৬ সালে,
নরম্যানরা ইংল্যান্ড আক্রমণ করে।
তারা এক ধরনের ফরাসি ভাষায় কথা বলত।
বহু বছর ধরে,
ফরাসি ছিল শাসকদের ভাষা।
সাধারণ মানুষ ইংরেজি ভাষায় কথা বলত।
এ কারণে,
ইংরেজি অনেক ফরাসি শব্দ ধার করে।
এই শব্দগুলো প্রায়শই আইন এবং খাবারের সাথে সম্পর্কিত।
যেমন আদালত (court) এবং গরুর মাংস (beef)
এই সময়ে ইংরেজিতে প্রবেশ করে।
এই সময়টি ইংরেজিকে গভীরভাবে প্রভাবিত করে।
ইংরেজি জার্মানীয় এবং ফরাসি উপাদানের মিশ্রণে পরিণত হয়।
এই মিশ্রণটি অনন্য।
সুতরাং, যখন লোকেরা জিজ্ঞাসা করে ইংরেজি ভাষার উৎপত্তি কোথা থেকে,
তখন উত্তরটি একটি স্থান নয়।
এটি অনেক স্থান থেকে এসেছে।
ইংরেজি জার্মানীয় শিকড় থেকে এসেছে।
এটি নর্স থেকে শিখেছে।
এটি ফরাসি থেকে শিখেছে।
প্রতিটি প্রভাব টিকে ছিল।
সময়ের সাথে সাথে,
ইংরেজি মধ্য ইংরেজির দিকে অগ্রসর হয়।
এই রূপটি সনাক্ত করা সহজ ছিল।
চসারের সময়ে মধ্য ইংরেজি প্রচলিত ছিল।
কিছু শব্দ পরিচিত মনে হয়।
কিছু এখনও অপরিচিত লাগে।
বানান নির্দিষ্ট ছিল না।
লোকেরা ভিন্নভাবে শব্দগুলো লিখত।
উচ্চারণ ভিন্ন ছিল।
ভাষা নমনীয় ছিল।
মুদ্রণ প্রসারিত হওয়ার সাথে সাথে,
ইংরেজি আরও মানসম্মত হতে শুরু করে।
বইগুলো বানান ঠিক করতে সাহায্য করে।
এটি আধুনিক ইংরেজির দিকে পরিচালিত করে।
আজ আমরা যে ইংরেজি জানি,
তা আকার নিতে শুরু করে।
ইংরেজি ভাষার উৎপত্তির আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো
অনুসন্ধান।
ইংল্যান্ড বিশ্বের অন্যান্য অংশে ভ্রমণ করে।
ইংরেজি নতুন দেশে যায়।
এটি নতুন সংস্কৃতির সাথে মিলিত হয়।
এটি নতুন ভাষার সাথে মিলিত হয়।
ইংরেজি অনেক জায়গা থেকে শব্দ ধার করে।
ভারত থেকে।
আফ্রিকা থেকে।
আমেরিকা থেকে।
যেমন কলা (banana) এবং চকলেট (chocolate)
ভাষাটিতে যুক্ত হয়েছে।
ইংরেজি বাড়তে থাকে।
এই ধার করা আজও অব্যাহত আছে।
ইংরেজি উন্মুক্ত।
ইংরেজি নমনীয়।
এটি তার ইতিহাসের একটি অংশ।
ইংরেজি শব্দ পরিবর্তনের মাধ্যমেও পরিবর্তিত হয়েছে।
সময়ের সাথে সাথে উচ্চারণ পরিবর্তিত হয়েছে।
বানান একই ছিল।
এটি অনেক অদ্ভুত বানানের ব্যাখ্যা করে।
মহৎ স্বর পরিবর্তন
স্বরবর্ণের শব্দ পরিবর্তন করে।
এটি আধুনিক উচ্চারণকে আকার দিয়েছে।
ইংরেজি ভাষার উৎপত্তি কোথা থেকে, তা বোঝা
ইংরেজিকে যেভাবে দেখা যায়, তা ব্যাখ্যা করতে সাহায্য করে।
ইংরেজি বানান বিভ্রান্তিকর মনে হতে পারে।
ইতিহাস এটি ব্যাখ্যা করে।
পরিবর্তন এটি ব্যাখ্যা করে।
ইংরেজি ব্যাকরণও ইতিহাসকে প্রতিফলিত করে।
কিছু নিয়ম জার্মানীয় শিকড় থেকে আসে।
অন্যগুলো ফরাসি প্রভাব থেকে আসে।
এই মিশ্রণটি ইংরেজিকে সমৃদ্ধ করে।
এটি এটিকে জটিলও করে তোলে।
ইংরেজি শেখা শিশুদের
এই সমস্ত ইতিহাস জানার প্রয়োজন নেই।
তবে সাধারণ গল্পগুলো বুঝতে সাহায্য করে।
ইংরেজি ভাষার উৎপত্তি কোথা থেকে, তা জানা
শেখাকে অর্থবহ করে তুলতে পারে।
ভাষার একটি যাত্রা আছে।
ইংরেজি একা বৃদ্ধি পায়নি।
এটি মানুষের মাধ্যমে বেড়ে উঠেছে।
এটি যোগাযোগের মাধ্যমে বেড়ে উঠেছে।
প্রতিটি প্রজন্ম ইংরেজিকে সামান্য পরিবর্তন করেছে।
শব্দগুলো স্থানান্তরিত হয়েছে।
শব্দগুলো পরিবর্তিত হয়েছে।
ভাষা জীবিত ছিল।
ইংরেজি আজও পরিবর্তন হচ্ছে।
নতুন শব্দ আবির্ভূত হয়।
পুরানো শব্দের অর্থ পরিবর্তিত হয়।
এটি স্বাভাবিক।
আধুনিক ইংরেজির অনেক উচ্চারণ রয়েছে।
ব্রিটিশ ইংরেজি।
আমেরিকান ইংরেজি।
প্রত্যেকের নিজস্ব ইতিহাস আছে।
এই সমস্ত রূপ একই শিকড় ভাগ করে নেয়।
এগুলো একই দীর্ঘ গল্প থেকে এসেছে।
সেই গল্পটি ইউরোপে শুরু হয়।
সুতরাং, যখন জিজ্ঞাসা করা হয় ইংরেজি ভাষার উৎপত্তি কোথা থেকে,
আমরা এটি বলতে পারি।
ইংরেজি জার্মানীয় উপজাতিদের সাথে শুরু হয়েছিল।
এটি অন্যান্য ভাষার সাথে যোগাযোগের মাধ্যমে বেড়ে ওঠে।
সময়ের সাথে সাথে এটি পরিবর্তিত হয়েছে।
এটি ইতিহাসের দ্বারা গঠিত একটি ভাষা।
চলাচলের মাধ্যমে।
সংস্কৃতির মাধ্যমে।
ইংরেজি অতীতের চিহ্ন বহন করে।
এর শব্দে।
এর শব্দে।
ইংরেজি শেখা মানে এই দীর্ঘ গল্পে যোগ দেওয়া।
এমন একটি গল্প যা এখনও লেখা হচ্ছে।
ইংরেজি এসেছে মানুষের কথা বলা,
ভাগাভাগি করা,
এবং পরিবর্তনের মাধ্যমে।
এবং এভাবেই ইংরেজির উৎপত্তি হয়েছে।
ইংরেজি ভাষার উৎপত্তি আরও স্পষ্টভাবে বুঝতে,
দৈনন্দিন শব্দগুলোর দিকে তাকানোও সহায়ক।
অনেক সাধারণ শব্দের খুব পুরনো শিকড় রয়েছে।
যেমন মা (mother) এবং বাবা (father)
শব্দগুলো প্রাথমিক জার্মানীয় ভাষা থেকে এসেছে।
এই শব্দগুলো টিকে ছিল কারণ পরিবারগুলো এগুলো প্রতিদিন ব্যবহার করত।
দৈনিক ব্যবহার শব্দগুলোকে বাঁচিয়ে রাখে।
যখন লোকেরা প্রায়শই কথা বলে,
ভাষা শক্তিশালী থাকে।
ইংরেজি তার প্রাথমিক দিনগুলো থেকে
অনেক সাধারণ শব্দ রেখেছে।
সূর্য (Sun)।
চাঁদ (Moon)।
প্রকৃতির শব্দগুলো দীর্ঘকাল স্থায়ী হয়।
এই শব্দগুলো লেখার প্রচলন হওয়ার আগে বলা হতো।
মানুষ কথা বলত।
তারা মনে রাখত।
ভাষা শব্দে বাস করত।
যখন লেখা আরও প্রচলিত হয়,
ইংরেজি শব্দ কাগজে দেখা যেতে শুরু করে।
এটি ভাষা সংরক্ষণে সাহায্য করে।
পুরাতন ইংরেজি লেখায় একটি ভিন্ন বর্ণমালা ব্যবহার করা হতো।
কিছু অক্ষর আর নেই।
বানান অপরিচিত লাগছিল।
সময়ের সাথে সাথে,
ইংরেজি রোমান বর্ণমালা গ্রহণ করে।
এটি লেখা সহজ করে তোলে।
বইগুলো ইংরেজিকে আকার দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
এগুলো অঞ্চল জুড়ে শব্দ ভাগ করতে সাহায্য করে।
বইয়ের আগে,
বিভিন্ন স্থানে লোকেরা ভিন্নভাবে কথা বলত।
আঞ্চলিক উচ্চারণ ব্যাপকভাবে পরিবর্তিত হতো।
এটি ইংরেজি ভাষার উৎপত্তির আরেকটি অংশ।
ইংরেজি একটি কণ্ঠস্বর ছিল না।
এটি ছিল অনেক কণ্ঠস্বর।
আঞ্চলিক ভাষা ধীরে ধীরে মিশে যায়।
বাণিজ্য সাহায্য করেছে।
ভ্রমণ সাহায্য করেছে।
যোগাযোগ বেড়েছে।
যখন লোকেরা কাজের জন্য স্থানান্তরিত হতো,
তখন তারা তাদের সাথে শব্দ নিয়ে যেত।
এই শব্দগুলো আবার মিশে যায়।
চলাচলের মাধ্যমে ইংরেজি বৃদ্ধি পায়।
মানুষ স্থানান্তরিত হয়েছে।
ভাষা স্থানান্তরিত হয়েছে।
পরবর্তীতে স্কুলগুলো ইংরেজিকে মানসম্মত করতে সাহায্য করে।
শিশুরা একই রকম বানান শিখত।
নিয়মগুলো আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে।
মানসম্মত ইংরেজি গঠিত হতে শুরু করে।
এটি উচ্চারণ দূর করেনি।
এটি লেখাগুলোকে একত্রিত করেছে।
আজও,
কথ্য ইংরেজি সারা বিশ্বে ভিন্ন শোনায়।
ইতিহাস এটি ব্যাখ্যা করে।
ব্রিটেনের ইংরেজি
আমেরিকার ইংরেজি থেকে আলাদা শোনায়।
উভয়ই একই শিকড় থেকে এসেছে।
যখন ইংরেজি উত্তর আমেরিকায় ভ্রমণ করে,
তখন এটি নতুন পরিবেশের সাথে মিলিত হয়।
নতুন প্রাণী।
নতুন গাছপালা।
ইংরেজি নতুন শব্দের প্রয়োজন ছিল।
কখনও কখনও এটি ধার করত।
কখনও কখনও এটি তৈরি করত।
যেমন র্যাকুন (raccoon) এবং ক্যানো (canoe)
শব্দগুলো নেটিভ আমেরিকান ভাষা থেকে এসেছে।
এই শব্দগুলো টিকে ছিল।
এই ধার করা ইংরেজি ভাষার উৎপত্তির একটি অংশ।
ইংরেজি ধার করে বৃদ্ধি পায়।
এটি পরিবর্তনের বিরোধিতা করে না।
একই ঘটনা অন্যান্য অঞ্চলে ঘটেছিল।
ভারতে।
আফ্রিকাতে।
ইংরেজি আবার মানিয়ে নেয়।
স্থানীয় শব্দ ইংরেজিতে প্রবেশ করে।
খাবারের নাম।
স্থানের নাম।
সংস্কৃতি শব্দভাণ্ডারকে আকার দিয়েছে।
এটি ইংরেজিকে আরও সমৃদ্ধ করেছে।
আরও শব্দ।
আরও অর্থ।
কিছু শিক্ষার্থী জানতে চায়
কেন ইংরেজির এত প্রতিশব্দ আছে।
ইতিহাসও এটি ব্যাখ্যা করে।
জার্মানীয় শব্দ এবং ফরাসি শব্দ
প্রায়শই পাশাপাশি বিদ্যমান থাকে।
উভয়ই টিকে ছিল।
জিজ্ঞাসা করা (ask) এবং প্রশ্ন করা (question)
একই জিনিস বোঝায়।
একটি জার্মানীয়।
একটি ফরাসি।
এটি বক্তাদের পছন্দ দেয়।
আনুষ্ঠানিক বা নৈমিত্তিক।
সহজ বা বিস্তারিত।
শিশুরা প্রায়শই প্রথমে জার্মানীয় শব্দ শেখে।
এগুলো ছোট।
এগুলো সহজ শোনায়।
ফরাসি শব্দগুলো প্রায়শই পরে আসে।
এগুলো দীর্ঘ শোনায়।
এগুলো আনুষ্ঠানিক মনে হয়।
এই স্তরযুক্ত শব্দভাণ্ডার
সরাসরি ইংরেজি ইতিহাস থেকে আসে।
ইংরেজি ভাষার উৎপত্তি কোথা থেকে, তা বোঝা
শেখার ধরন ব্যাখ্যা করতে সাহায্য করে।
ইংরেজি ব্যাকরণও ইতিহাস দেখায়।
শব্দ বিন্যাস সহজ ছিল।
শেষের অংশগুলো ধীরে ধীরে অদৃশ্য হয়ে যায়।
পুরাতন ইংরেজির অনেক শেষাংশ ছিল।
শব্দগুলো আকার পরিবর্তন করত।
ফর্মের মাধ্যমে অর্থ দেখানো হতো।
সময়ের সাথে সাথে,
ইংরেজি অনেক শেষাংশ হারিয়েছে।
শব্দ বিন্যাস আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।
এটি কিছু ক্ষেত্রে ইংরেজিকে সহজ করে তোলে।
কম মুখস্থ করা।
আরও কাঠামো।
শিশুরা এই পরিবর্তন থেকে উপকৃত হয়।
তারা প্যাটার্ন অনুসরণ করে।
তারা দ্রুত শেখে।
ইংরেজি ক্রিয়া এখনও কিছু ইতিহাস দেখায়।
নিয়মহীন রূপগুলো বিদ্যমান।
সাধারণ ক্রিয়াগুলো পুরনো আকার বজায় রাখে।
যাওয়া (go) এবং গিয়েছিল (went)
ভিন্ন শিকড় থেকে এসেছে।
ইতিহাস এটি ব্যাখ্যা করে।
উচ্চ-ব্যবহারের শব্দগুলো ধীরে ধীরে পরিবর্তিত হয়।
লোকেরা এগুলো প্রায়শই পুনরাবৃত্তি করে।
এগুলো পরিবর্তনের বিরোধিতা করে।
এজন্যই মৌলিক ক্রিয়াগুলো
এখনও অস্বাভাবিক দেখায়।
ইংরেজি বানানও ইতিহাস বজায় রাখে।
কিছু অক্ষর নীরব।
শব্দগুলো স্থানান্তরিত হয়েছে।
বানান অতীত দেখায়।
উচ্চারণ এগিয়ে গেছে।
লেখা একই ছিল।
এটি শিক্ষার্থীদের বিভ্রান্ত করতে পারে।
তবে এটি একটি গল্পও বলে।
প্রতিটি অদ্ভুত বানান
আগের শব্দের দিকে ইঙ্গিত করে।
শিক্ষকরা মাঝে মাঝে এটি মৃদুভাবে ব্যাখ্যা করেন।
সব একবারে নয়।
শুধুমাত্র যখন সহায়ক হয়।
শিশুদের সম্পূর্ণ ইতিহাসের প্রয়োজন নেই।
সাধারণ ধারণাগুলোই যথেষ্ট।
জানা যে ইংরেজি সময়ের সাথে সাথে পরিবর্তিত হয়েছে
হতাশা কমাতে পারে।
ভুলগুলো স্বাভাবিক মনে হয়।
ইংরেজি শিক্ষার্থীরা প্রায়শই জিজ্ঞাসা করে
কেন নিয়মের ব্যতিক্রম আছে।
ইতিহাসই উত্তর।
নিয়মগুলো ধীরে ধীরে যোগ করা হয়েছিল।
পরিবর্তন ধীরে ধীরে ঘটেছিল।
ভাষা মানিয়ে নিয়েছিল।
এটি সমস্ত ভাষার জন্য সত্য।
ইংরেজি বিশেষ নয়।
এটি মানবিক।
ইংরেজি ভাষার উৎপত্তি কোথা থেকে
কেবলমাত্র অতীতের একটি প্রশ্ন নয়।
এটি বর্তমানকে ব্যাখ্যা করে।
আজকের ইংরেজি এখনও পরিবর্তন হচ্ছে।
নতুন শব্দ অনলাইনে আসে।
অর্থ পরিবর্তিত হয়।
তরুণ প্রজন্ম এখন ইংরেজিকে আকার দেয়।
অপভাষা দেখা যায়।
প্রকাশগুলো ছড়িয়ে পড়ে।
এটি একই প্রক্রিয়া
যা বহু আগে ঘটেছিল।
ভাষাগুলো কখনই নড়াচড়া বন্ধ করে না।
এগুলো জীবনকে প্রতিফলিত করে।
এগুলো মানুষকে প্রতিফলিত করে।
ইংরেজি ধার করা অব্যাহত রাখে।
প্রযুক্তি থেকে।
সংস্কৃতি থেকে।
যেমন ইমেল (email) এবং ইমোজি (emoji)
শব্দগুলো আধুনিক প্রভাব দেখায়।
ভবিষ্যতের ইংরেজি আবার ভিন্ন শোনাবে।
নতুন উচ্চারণ।
নতুন অভিব্যক্তি।
কিন্তু শিকড়গুলো একই থাকবে।
জার্মানীয় ভিত্তি।
স্তরযুক্ত ইতিহাস।
যখন শিক্ষার্থীরা জিজ্ঞাসা করে ইংরেজি ভাষার উৎপত্তি কোথা থেকে,
তখন তারা কৌতূহলের দীর্ঘ শৃঙ্খলে যোগ দেয়।
মানুষ সবসময় জিজ্ঞাসা করেছে
শব্দগুলো কোথা থেকে আসে।
কৌতূহল ভাষাকে বাঁচিয়ে রাখে।
ইতিহাস শেখা অর্থ যোগ করে।
ইংরেজি কোনো মুহূর্ত থেকে আসেনি।
এটি শতাব্দীর পর শতাব্দী ব্যবহারের ফল।
মানুষ কথা বলত।
তারা ভাগাভাগি করত।
ভাষা অনুসরণ করত।
এটি বোঝা শিক্ষার্থীদের সংযুক্ত অনুভব করতে সাহায্য করে।
তারা গল্পের অংশ।
ইংরেজি তার বক্তাদের অন্তর্গত।
অতীত এবং বর্তমান।
প্রতিটি নতুন শিক্ষার্থী
আরেকটি অধ্যায় যোগ করে।
এবং ইংরেজি বাড়তে থাকে,
যেমনটা সবসময় হয়েছে।

